চিকিৎসাসেবায় নিষ্ঠা ও মানবিকতার স্বীকৃতি: সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন ডা. মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান খান
আমজাদ হোসেন মিঠু, ঢাকা বিভাগীয় প্রধান , মুন্সীগঞ্জ
Update Time :
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
২১
Time View
চিকিৎসাসেবায় নিষ্ঠা ও মানবিকতার স্বীকৃতি: সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন ডা. মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান খান
আমজাদ হোসেন মিঠু, ঢাকা বিভাগীয় প্রধান , মুন্সীগঞ্জ: মেধা, মনন, অধ্যবসায়, পেশাগত নিষ্ঠা ও মানবিক সেবার অনন্য সমন্বয়ে চিকিৎসা পেশায় সাফল্যের আরও এক গৌরবোজ্জ্বল ধাপে উন্নীত হয়েছেন মুন্সীগঞ্জের কৃতী সন্তান, বিশিষ্ট অর্থোপেডিক, ট্রমা ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান। সম্প্রতি তিনি সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন। তাঁর এই অর্জনে পরিবার-পরিজন, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার খাসমহল বালুচর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মো. সিরাজুল ইসলাম খান ছিলেন একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পারিবারিক সততা, মূল্যবোধ ও পিতার শিক্ষাদর্শনকে পাথেয় করে তিনি শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। কৃষ্ণনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার সূচনা হয়। পরবর্তীতে তিনি খাসমহল বালুচর উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজে অধ্যয়ন করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি দেশ-বিদেশে অর্থোপেডিক, ট্রমা ও স্পাইন চিকিৎসায় উচ্চতর ডিগ্রি, প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। চিকিৎসা পেশায় তাঁর এই পদোন্নতি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, পেশাগত দক্ষতা ও মানবসেবার প্রতি প্রতিশ্রুতির এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি। বিশেষ করে নিজ এলাকার মানুষের প্রতি তাঁর নিবিড় টান প্রশংসনীয়। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি প্রতি সপ্তাহে নিজ এলাকায় এসে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে ও সাধ্যমতো চিকিৎসাসেবা প্রদান করে থাকেন। এলাকাবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের মতে, ডা. মাহবুবুর রহমান খানের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। মুন্সীগঞ্জের মাটি ও মানুষের কল্যাণে তাঁর এই পথচলা অব্যাহত থাকবে এবং তাঁর হাত ধরে বহু অসুস্থ মানুষের মুখে সুস্থতার হাসি ফুটবে—এমনটাই সবার প্রত্যাশা। সবশেষে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং কর্মজীবনে উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।
22
আমজাদ হোসেন মিঠু,
ঢাকা বিভাগীয় প্রধান , মুন্সীগঞ্জ:
মেধা, মনন, অধ্যবসায়, পেশাগত নিষ্ঠা ও মানবিক সেবার অনন্য সমন্বয়ে চিকিৎসা পেশায় সাফল্যের আরও এক গৌরবোজ্জ্বল ধাপে উন্নীত হয়েছেন মুন্সীগঞ্জের কৃতী সন্তান, বিশিষ্ট অর্থোপেডিক, ট্রমা ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান। সম্প্রতি তিনি সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন। তাঁর এই অর্জনে পরিবার-পরিজন, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার খাসমহল বালুচর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মো. সিরাজুল ইসলাম খান ছিলেন একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পারিবারিক সততা, মূল্যবোধ ও পিতার শিক্ষাদর্শনকে পাথেয় করে তিনি শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন।
কৃষ্ণনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার সূচনা হয়। পরবর্তীতে তিনি খাসমহল বালুচর উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজে অধ্যয়ন করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি দেশ-বিদেশে অর্থোপেডিক, ট্রমা ও স্পাইন চিকিৎসায় উচ্চতর ডিগ্রি, প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
চিকিৎসা পেশায় তাঁর এই পদোন্নতি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, পেশাগত দক্ষতা ও মানবসেবার প্রতি প্রতিশ্রুতির এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি। বিশেষ করে নিজ এলাকার মানুষের প্রতি তাঁর নিবিড় টান প্রশংসনীয়। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি প্রতি সপ্তাহে নিজ এলাকায় এসে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে ও সাধ্যমতো চিকিৎসাসেবা প্রদান করে থাকেন।
এলাকাবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের মতে, ডা. মাহবুবুর রহমান খানের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। মুন্সীগঞ্জের মাটি ও মানুষের কল্যাণে তাঁর এই পথচলা অব্যাহত থাকবে এবং তাঁর হাত ধরে বহু অসুস্থ মানুষের মুখে সুস্থতার হাসি ফুটবে—এমনটাই সবার প্রত্যাশা।
সবশেষে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং কর্মজীবনে উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।