নবীনগরে ব্রিজ আছে, নেই সংযোগ সড়ক—ভোগান্তিতে তিন ইউনিয়নের মানুষ!!
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার
Update Time :
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
১৯
Time View
নবীনগরে ব্রিজ আছে, নেই সংযোগ সড়ক—ভোগান্তিতে তিন ইউনিয়নের মানুষ!!
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাজলিয়া গ্রামে তিন ইউনিয়নের সংযোগস্থলে নির্মিত একটি কালভার্ট বা ছোট সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর আগে সরকারি অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও এর দুই প্রান্তে মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরি করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি নির্মাণের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এর দুই পাশে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট ও অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ করা হয়নি। ফলে সেতুটি থাকলেও স্বাভাবিকভাবে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুতে ওঠানামার জন্য উপযুক্ত সংযোগপথ না থাকায় মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেতুতে ওঠানামার জন্য সিঁড়ির মতো ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক মানুষ ও সাধারণ পথচারীদের চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, শিবপুর, বিদ্যাকুট ও নাটঘর ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে সেতুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামোর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। সেতু নির্মাণের পরও কেন সংযোগ সড়ক নেই? জনগণের যাতায়াতের সুবিধার্থে সরকারি অর্থে সেতু নির্মাণ করা হলেও সেটিকে ব্যবহার উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরি না হলে এর মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থেকে যায়। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কাজলিয়া গ্রামের এই সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য নবীনগর উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, সেতুটি যেন কেবল দাঁড়িয়ে থাকা একটি অবকাঠামো হয়ে না থাকে; বরং সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের কাজে আসে, সে জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
25
সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাজলিয়া গ্রামে তিন ইউনিয়নের সংযোগস্থলে নির্মিত একটি কালভার্ট বা ছোট সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে।
প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর আগে সরকারি অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও এর দুই প্রান্তে মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরি করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি নির্মাণের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এর দুই পাশে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট ও অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ করা হয়নি। ফলে সেতুটি থাকলেও স্বাভাবিকভাবে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছেন না এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুতে ওঠানামার জন্য উপযুক্ত সংযোগপথ না থাকায় মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেতুতে ওঠানামার জন্য সিঁড়ির মতো ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক মানুষ ও সাধারণ পথচারীদের চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, শিবপুর, বিদ্যাকুট ও নাটঘর ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে সেতুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামোর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা।
সেতু নির্মাণের পরও কেন সংযোগ সড়ক নেই?
জনগণের যাতায়াতের সুবিধার্থে সরকারি অর্থে সেতু নির্মাণ করা হলেও সেটিকে ব্যবহার উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরি না হলে এর মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হয়।
দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থেকে যায়। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কাজলিয়া গ্রামের এই সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য নবীনগর উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।
তাঁদের দাবি, সেতুটি যেন কেবল দাঁড়িয়ে থাকা একটি অবকাঠামো হয়ে না থাকে; বরং সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের কাজে আসে, সে জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।