নবীনগরে ইটভাটায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার
Update Time :
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
১০
Time View
নবীনগরে ইটভাটায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের সাহেবনগরে মেঘনা নদীর তীরবর্তী সততা ব্রিকস ফিল্ডে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে স্পিডবোট ও নৌকাযোগে আসা প্রায় ৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ইটভাটায় হানা দিয়ে নাইটগার্ড ও দুই ম্যানেজারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাটার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, ডাকাত দলের সদস্যরা ইটভাটার বিদ্যুতের খুঁটি থেকে তিনটি ট্রান্সফরমার, দুটি মেশিন, চারটি মোটর, সাতটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় ভাটার নাইটগার্ড আলফাজ মিয়ার হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। পাশাপাশি ভাটার দুই ম্যানেজারসহ কর্মীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখে ডাকাত দলের সদস্যরা। ভাটার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ডাকাতি শেষে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় ডাকাত দলের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভাটার মালিকপক্ষ ও কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক এবং নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। ভাটার নাইটগার্ড আলফাজ মিয়া বলেন, “ডাকাতরা আমাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে। ডাকাতির পর আমাদের মেরে ফেলার হুমকিও দিয়ে গেছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাতে সলিমগঞ্জ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির নিয়মিত টহল না থাকায় মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। এ বিষয়ে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) রাজিব কান্তি নাথ বলেন, “এ বিষয়ে আমরা অবগত নই। এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।” এদিকে, সততা ব্রিকস ফিল্ডের মালিকপক্ষের লোকজন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যার মধ্যে নবীনগর থানায় ডাকাতির মামলা দায়ের করা হবে। মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সংঘবদ্ধ ডাকাতির এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্পিডবোট ও নৌকাযোগে এসে বিপুল পরিমাণ মালামাল লুটের অভিযোগ ওঠায় নদীপথে নিরাপত্তা ও নিয়মিত টহল জোরদারের দাবি উঠেছে। ভাটার মালিকপক্ষ ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
11
সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের সাহেবনগরে মেঘনা নদীর তীরবর্তী সততা ব্রিকস ফিল্ডে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে স্পিডবোট ও নৌকাযোগে আসা প্রায় ৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ইটভাটায় হানা দিয়ে নাইটগার্ড ও দুই ম্যানেজারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভাটার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, ডাকাত দলের সদস্যরা ইটভাটার বিদ্যুতের খুঁটি থেকে তিনটি ট্রান্সফরমার, দুটি মেশিন, চারটি মোটর, সাতটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ সময় ভাটার নাইটগার্ড আলফাজ মিয়ার হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। পাশাপাশি ভাটার দুই ম্যানেজারসহ কর্মীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখে ডাকাত দলের সদস্যরা।
ভাটার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ডাকাতি শেষে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় ডাকাত দলের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভাটার মালিকপক্ষ ও কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক এবং নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।
ভাটার নাইটগার্ড আলফাজ মিয়া বলেন, “ডাকাতরা আমাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে। ডাকাতির পর আমাদের মেরে ফেলার হুমকিও দিয়ে গেছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাতে সলিমগঞ্জ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির নিয়মিত টহল না থাকায় মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) রাজিব কান্তি নাথ বলেন, “এ বিষয়ে আমরা অবগত নই। এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।”
এদিকে, সততা ব্রিকস ফিল্ডের মালিকপক্ষের লোকজন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যার মধ্যে নবীনগর থানায় ডাকাতির মামলা দায়ের করা হবে।
মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সংঘবদ্ধ ডাকাতির এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্পিডবোট ও নৌকাযোগে এসে বিপুল পরিমাণ মালামাল লুটের অভিযোগ ওঠায় নদীপথে নিরাপত্তা ও নিয়মিত টহল জোরদারের দাবি উঠেছে।
ভাটার মালিকপক্ষ ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।