1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
লৌহজংয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নারী ক্ষমতায়নে জেলা প্রশাসকের নানা উদ্যোগঃ পটিয়া থানার পুলিশের ০৯মাসের অন্ত:সত্ত্বা তানিয়া হত্যা মামলার ০২ আসামীকে গ্রেফতার ও স্বীরোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ। যশোর জেলা পুলিশের সাত কর্মকর্তা বদলি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রতিবাদে শিবপুরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিক্ষোভ ঢাকা থেকে নিখোঁজ ১০ বছরের শিশু সাব্বির শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনে, পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ কটিয়াদীতে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন কৌশলবিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে কটিয়াদীতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। শ্যামনগরে সম্পদ ভিত্তিক কমিউনিটি নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপ্তি জাতীয় অ্যাথলেটিকসে, কিশোরগঞ্জের ঝিনুক প্রিয়ার দাপট, দুই রেকর্ডে তিন স্বর্ণজয়

সম্পত্তির লোভে বোনকে হত্যার অভিযোগ, দাফনের আগেই ধামাচাপার চেষ্টা—তদন্তের দাবি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৬ Time View
82

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় সম্পত্তির লোভে আপন বোনকে হত্যার পর লাশ গোপন এবং ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার ধামশ্রেণী ইউনিয়নের উত্তর বিজয়রাম তবকপুর গ্রামের বাসিন্দা একরামুল হক (পিতা: মৃত ইসমাইল কেরানী) দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সম্পত্তি এককভাবে ভোগদখল করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার মৃত বড় ভাই মন্টু মিয়ার একমাত্র কন্যা মুন্নি বেগমসহ নিজ তিন বোনকেও তাদের প্রাপ্য সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে একই গ্রামের ফিরোজ কবির (পিতা: মো. সাজু মিয়া) জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একরামুল হকের ছোট বোন রাহেনা, যিনি উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন, নিজ নামে কিছু জমির মালিক ছিলেন। সেই সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে তাকে কৌশলে স্বামীর সংসার থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজ বাড়িতে এনে দীর্ঘদিন মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে একপর্যায়ে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে পরিকল্পিতভাবে রাহেনাকে হত্যা করা হয় এবং তার মরদেহ একটি কুঁড়ে ঘরে গোপন রাখা হয়। কয়েকদিন পর দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এক ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তার লাশ দেখতে পান।
ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত একরামুল হক স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহায়তায় ঘটনাটিকে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মরদেহে পচন ধরায় স্বাভাবিক নিয়মে গোসল করানো সম্ভব হয়নি। পরে সাহেরা ও উম্মে কুলছুম নামে দুই নারী মরদেহে পানি ঢেলে দাফনের পূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে রাহেনার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সরেজমিন তদন্ত, প্রয়োজন হলে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026