মোবাইল চুরির অভিযোগে যুবক আটক, শাস্তির বদলে শান্তি শৌরপ ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করা
Reporter Name
Update Time :
শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
৭৩
Time View
মোবাইল চুরির অভিযোগে যুবক আটক, শাস্তির বদলে শান্তি শৌরপ ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করা
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪ চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করিয়ে এবং তওবা করানোর পর ছেড়ে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সোনাপাহাড় ফকির আস্তানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবকের নাম রেজাউল করিম (৩৫)। তিনি মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছিল। তবে কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে একটি মোবাইল ফোন এবং প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরির সময় স্থানীয়রা রেজাউল করিমকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে নিজের ভুল স্বীকার করতে বলা হয়। উপস্থিত জনসাধারণের সিদ্ধান্তে শাস্তিস্বরূপ তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আর কোনো অপরাধে জড়াবেন না—এমন অঙ্গীকার করিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহাম্মদ খান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ ছিলেন এলাকাবাসী। শুক্রবার হাতেনাতে ধরা পড়ার পর তাকে মারধর না করে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে যেন ভবিষ্যতে আর এমন পথে না যায়, সে জন্য তাকে তওবা করিয়ে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়েছে।” এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। কেউ আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ জানায়নি। তবে চুরির অভিযোগে কাউকে আটক করা হলে আইন অনুযায়ী তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা উচিত ছিল।”
134
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করিয়ে এবং তওবা করানোর পর ছেড়ে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সোনাপাহাড় ফকির আস্তানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত যুবকের নাম রেজাউল করিম (৩৫)। তিনি মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছিল। তবে কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে একটি মোবাইল ফোন এবং প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরির সময় স্থানীয়রা রেজাউল করিমকে হাতেনাতে আটক করেন।
পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে নিজের ভুল স্বীকার করতে বলা হয়। উপস্থিত জনসাধারণের সিদ্ধান্তে শাস্তিস্বরূপ তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আর কোনো অপরাধে জড়াবেন না—এমন অঙ্গীকার করিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহাম্মদ খান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ ছিলেন এলাকাবাসী। শুক্রবার হাতেনাতে ধরা পড়ার পর তাকে মারধর না করে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে যেন ভবিষ্যতে আর এমন পথে না যায়, সে জন্য তাকে তওবা করিয়ে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। কেউ আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ জানায়নি। তবে চুরির অভিযোগে কাউকে আটক করা হলে আইন অনুযায়ী তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা উচিত ছিল।”