নবীনগরে বজ্রপাতে মৃত্যু বলে প্রচার, সাড়ে তিন মাস পর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন; ৬ আসামি গ্রেপ্তার
Reporter Name
Update Time :
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
৪
Time View
নবীনগরে বজ্রপাতে মৃত্যু বলে প্রচার, সাড়ে তিন মাস পর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন; ৬ আসামি গ্রেপ্তার
সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বজ্রপাতে মৃত্যু বলে প্রচারিত সুমন মোল্লা (২৮) হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যার বিষয়টি উঠে এসেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে নবী নগর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একই দিন দুপুরে তাঁদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ইকবাল হোসেন (পিতা: হাবিল মিয়া), মোবারক (পিতা: ছালাম মিয়া), রাসেদ মিয়া (পিতা: কায়ুম), সজিত সরকার (পিতা: মলিন্দ্র সরকার), হুমায়ুন মিয়া (পিতা: হোসেন মিয়া) ও শফিকুল ইসলাম (পিতা: খুরশিদ মিয়া)। তাঁদের সবার বাড়ি উপজেলার সিতারামপুর গ্রামে। নিহত সুমন মোল্লা উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের হাসান মোল্লা বাড়ির মরহুম হাজী নুর ইসলামের ছোট ছেলে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই শুক্রবার দুপুরের দিকে সুমনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ওই সময় তাঁর মৃত্যুকে বজ্রপাতের কারণে হয়েছে বলে প্রচার করা হয়। তবে শুরু থেকেই নিহতের পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনাকে বজ্রপাতে মৃত্যু বলে মেনে নিতে পারেননি। তাঁদের অভিযোগ ছিল, সুমনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধরের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ফলে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং হত্যাকাণ্ড বলে তাঁদের সন্দেহ হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ছয়জনকে আসামি করে নবীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরপর দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় ছিলেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। সম্প্রতি পাওয়া ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি সমর্থিত হয়নি বলে জানা গেছে। বরং প্রতিবেদনে হত্যার বিষয়টি উঠে আসায় মামলাটি নতুন মোড় নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে নবীনগর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে। নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হত্যা মামলার ছয় আসামিকে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, সুমনের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।
8
সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বজ্রপাতে মৃত্যু বলে প্রচারিত সুমন মোল্লা (২৮) হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যার বিষয়টি উঠে এসেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে নবী নগর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একই দিন দুপুরে তাঁদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ইকবাল হোসেন (পিতা: হাবিল মিয়া), মোবারক (পিতা: ছালাম মিয়া), রাসেদ মিয়া (পিতা: কায়ুম), সজিত সরকার (পিতা: মলিন্দ্র সরকার), হুমায়ুন মিয়া (পিতা: হোসেন মিয়া) ও শফিকুল ইসলাম (পিতা: খুরশিদ মিয়া)। তাঁদের সবার বাড়ি উপজেলার সিতারামপুর গ্রামে।
নিহত সুমন মোল্লা উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের হাসান মোল্লা বাড়ির মরহুম হাজী নুর ইসলামের ছোট ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই শুক্রবার দুপুরের দিকে সুমনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ওই সময় তাঁর মৃত্যুকে বজ্রপাতের কারণে হয়েছে বলে প্রচার করা হয়। তবে শুরু থেকেই নিহতের পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনাকে বজ্রপাতে মৃত্যু বলে মেনে নিতে পারেননি।
তাঁদের অভিযোগ ছিল, সুমনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধরের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ফলে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং হত্যাকাণ্ড বলে তাঁদের সন্দেহ হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ছয়জনকে আসামি করে নবীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
এরপর দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় ছিলেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। সম্প্রতি পাওয়া ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি সমর্থিত হয়নি বলে জানা গেছে। বরং প্রতিবেদনে হত্যার বিষয়টি উঠে আসায় মামলাটি নতুন মোড় নেয়।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে নবীনগর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হত্যা মামলার ছয় আসামিকে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, সুমনের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।