নিজস্ব সংবাদদাতা: ১৭ ই রামাদান ২য় হিজরী ইসলামের ইতিহাসে এক চিরস্মরণীয় দিনে সংগঠিত হয় বদর যুদ্ধ যেই যুদ্ধে সত্য ও মিথ্যার প্রথম মোকাবেলা হিসেবে। ইতিহাসে চির স্মরণীয় হয়ে আছে। মদিনার মুসলমানরা তখন সঙ্কায় মাত্র (৩১৩)জন সাহাবীদের কাছে অস্ত্র ছিল কম সীমিত মাত্র দুটি ঘোড়া প্রায় ৭০টি উট অন্যদিকে মক্কার কুরাইশ বাহিনীদের ছিল প্রায় ১০০০ জন শক্তিশালী অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত ঘোড়া ও সংখ্যায় প্রায় ত০০ শত শত উটনিয়ে তারা যুদ্ধের জন্য এসেছিল। মুসলিমদের জয় হওয়া অসম্ভব মনে হলেও মুসলিমদের ধৈর্য আর ঈমান ছিল শক্তি আল্লাহর উপর অটল ভড়সা। আল্লাহ তালা কুরআনে বলেছেন ননিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে বদরে সাহায্য করেছিলেন। অথচ তোমরা ছিলে দুর্বল (সূরা। আল ইমরান ১২৩) আরো ও বলেন যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে। তখন তিনি বলে ছিলেন। আমি তোমাদের সাহায্য করবো ধারাবাহিক ১০০০ ফেরেস্তা দ্বারা (সূরা আল আনফাল - ৯) হাদিসের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরে সাহাবীদের মর্যাদা সম্পর্কে বলেছেন আল্লাহ বদরের যুদ্ধাদের দিকে তাকিয়ে বলেছেন তোমরা যা ইচ্ছে কর আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। (সহীহ বুখারী সহীহ মুসলিম) এই যুদ্ধে মুসলিমদের ১৪ জন সাহাব শহীদ হয়েছিলেন। এবং কোরাইশ বাহিনীদের ৭০ জন নিহত হয়েছিল আরো ও ৭০ জন বন্দী হয়েছিল এই বিজয়ের মাধ্যমে ইসলামের শক্তি ও মর্যাদা আরব জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, বদর যুদ্ধ আমাদের জন্য বড় শিক্ষা ঈমান থাকলে দুর্বল রাও শক্তিশালীকে পরাজিত করতে পারে। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনরকম বিজয় সম্ভব নয় ঐক্য ধৈর্য ও ত্যাগ হলো সকল বিষয়ের সফলতার মূল চাবিকাঠি আল্লাহর উপর ভড়সা মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাই মুসলিম উম্মাহর জন্য বদরের যুদ্ধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসুন আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করি এবং এই মহান দিবস টিকে স্মরণ করি।
223
নিজস্ব সংবাদদাতা:
১৭ ই রামাদান ২য় হিজরী ইসলামের ইতিহাসে
এক চিরস্মরণীয় দিনে সংগঠিত হয় বদর যুদ্ধ
যেই যুদ্ধে সত্য ও মিথ্যার প্রথম মোকাবেলা হিসেবে।
ইতিহাসে চির স্মরণীয় হয়ে আছে।
মদিনার মুসলমানরা তখন সঙ্কায় মাত্র (৩১৩)জন
সাহাবীদের কাছে অস্ত্র ছিল কম সীমিত মাত্র
দুটি ঘোড়া প্রায় ৭০টি উট অন্যদিকে মক্কার
কুরাইশ বাহিনীদের ছিল প্রায় ১০০০ জন শক্তিশালী
অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত ঘোড়া ও সংখ্যায় প্রায় ত০০
শত শত উটনিয়ে তারা যুদ্ধের জন্য এসেছিল।
মুসলিমদের জয় হওয়া অসম্ভব মনে হলেও
মুসলিমদের ধৈর্য আর ঈমান ছিল শক্তি আল্লাহর উপর
অটল ভড়সা। আল্লাহ তালা কুরআনে বলেছেন
ননিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে বদরে সাহায্য করেছিলেন। অথচ তোমরা ছিলে দুর্বল
(সূরা। আল ইমরান ১২৩) আরো ও বলেন যখন
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে
সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে। তখন তিনি বলে ছিলেন।
আমি তোমাদের সাহায্য করবো ধারাবাহিক
১০০০ ফেরেস্তা দ্বারা (সূরা আল আনফাল – ৯)
হাদিসের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বদরে সাহাবীদের মর্যাদা সম্পর্কে বলেছেন আল্লাহ
বদরের যুদ্ধাদের দিকে তাকিয়ে বলেছেন
তোমরা যা ইচ্ছে কর আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।
(সহীহ বুখারী সহীহ মুসলিম) এই যুদ্ধে মুসলিমদের
১৪ জন সাহাব শহীদ হয়েছিলেন।
এবং কোরাইশ বাহিনীদের ৭০ জন নিহত হয়েছিল
আরো ও ৭০ জন বন্দী হয়েছিল এই
বিজয়ের মাধ্যমে ইসলামের শক্তি ও মর্যাদা আরব জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল,
বদর যুদ্ধ আমাদের জন্য বড় শিক্ষা
ঈমান থাকলে দুর্বল রাও শক্তিশালীকে পরাজিত করতে পারে। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া
কোনরকম বিজয় সম্ভব নয় ঐক্য ধৈর্য ও ত্যাগ হলো
সকল বিষয়ের সফলতার মূল চাবিকাঠি আল্লাহর
উপর ভড়সা মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাই
মুসলিম উম্মাহর জন্য বদরের যুদ্ধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।