1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
সাধারণ মানুষের অভিযোগে দ্রুত সাড়া, মাদক-কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযানে পুলিশের সুনাম বৃদ্ধি করেছে ওসি মুহিনুল ইসলাম datetiধামইর হাটে শারদীয় দুর্গাপূজার উপলক্ষে অসহায় হিন্দুসম্প্রদায়ে মাঝে শাডী বিতরন ওগাঁর পোরশায় বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় ওসি মমিনুল ইসলামের অভিযান বাপ্পী হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার তুমুলিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম সরিষাবাড়িতে ২৭৮.৩০ মিঃ দৈর্ঘ্য গার্ডার ব্রীজ নির্মান কাজের শুভ উদ্বোধন যশোর বেজপাড়ায় রামকৃষ্ণ আশ্রম পূজামণ্ডপে এসআরবির প্রেস ব্রিফিং কবিতা, প্রেম ও জীবনের দর্শনকবি রবি ডাকুয়ার ভাবনায় মানুষের হৃদয়, অনুভূতি ও জীবনের বহুমাত্রিকতা তৃণমূলের শিক্ষক আসাদুজ্জামান রাজু শিক্ষার্থী কিশোর ও যুব সমাজে মাদকের আগ্রাসনে উদ্দিগ্ন ২২ অক্টোবর খুলনায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া

সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় ওসি মমিনুল ইসলামের অভিযান বাপ্পী হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ Time View
10

কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ডে প্রকাশ্যে গুলি করে তারেক হোসেন বাপ্পি হত্যা এবং তাফসির আলম শাওনকে গুরুতর আহত করার ঘটনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে রহস্য উদ্ঘাটন করেছে সীতাকুণ্ড থানার সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি মমিনুল ইসলাম। ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি মোঃ আরিফ হোসেনসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সীতাকুণ্ড থানার সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি মমিনুল ইসলাম। এসময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি এলজি, একটি রিভলবার ও একটি পিস্তল উদ্ধার করতে সামর্থ্য হয়েছে সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি মমিনুল ইসলাম। গতকাল রবিবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রামের এসপি মোঃ মাসুদ আলম সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার রাত আনুমানিক পৌনে ১১ টার দিকে সীতাকুণ্ড মডেল থানাধীন বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের অলিনগর তিন রাস্তার মোড়সংলগ্ন পাকা রাস্তায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। তারেক হোসেন বাপ্পি রাতে খাবার খেয়ে তাঁর বন্ধু ইমনকে সঙ্গে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল যোগে অলিনগর তিন রাস্তার মোড় দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় আগে থেকেই আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওঁৎপেতে থাকা অভিযুক্তরা তাঁদের মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে। এরপর বাপ্পি ও তাঁর বন্ধুকে মোটরসাইকেল থেকে টেনে হিঁছড়ে নামিয়ে মারধর করা হয়।
একপর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত মোঃ আরিফ হোসেন বাপ্পিকে লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করেন। অন্য অভিযুক্তরাও তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এ সময় বাপ্পির সঙ্গে থাকা ইমন কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে বাপ্পিকে বুকে গুলি করা হয়। অপর একজনও তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। এতে বাপ্পি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলের কাছে থাকা তাফসির আলম শাওন বাপ্পিকে উদ্ধারে এগিয়ে এলে তিনিও হামলার শিকার হন। তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে দুজনই গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকেন। হামলাকারীরা তাঁদের ওপর আরও আঘাত করেন। পরে ঘটনাস্থলে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে তাঁরা পালিয়ে যান।
এসপি মাসুদ আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো বলেন, তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নিহত তারেক হোসেন বাপ্পির সঙ্গে প্রধান অভিযুক্ত মোঃ আরিফ হোসেন ও তাঁর সহযোগীদের এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বাপ্পি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অভিযুক্তদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য একাধিকবার সামাজিকভাবে ও মৌখিকভাবে সতর্ক করেন।
পূর্ববিরোধের জেরে বাপ্পিকে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের পথে বাধা মনে করে অভিযুক্তরা তাঁর ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁরা আগে থেকেই ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন এবং বাপ্পির মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাঁর ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। পরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে হত্যা করা হয়। একই সময়ে বাপ্পিকে উদ্ধারে এগিয়ে আসা শাওনও তাঁদের সশস্ত্র হামলার শিকার হন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পরপরই চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করেন। ঘটনাস্থলের তথ্য–উপাত্ত বিশ্লেষণ, সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি মোঃ আরিফ হোসেনসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি এলজি, একটি রিভলবার ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, বাড়বকুণ্ড মধ্যম মাহমুদাবাদ দীঘির নামা গ্রামের ফকির আহম্মদের নতুন বাড়ির বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন (প্রকাশ) বিকষুর ছেলে মোঃ আরিফ হোসেন (২৯), একই গ্রামের অলিনগর চৌকিদার বাড়ির মৃত নুর আলমের ছেলে ফখরুল ইসলাম (৩২), বাড়বকুণ্ড একই ইউনিয়নের নডালিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল মান্নান (২৮), অলিনগর গ্রামের নতুন বদু বাড়ির বাসিন্দা মোজাম্মেল হকের ছেলে মো. ইফতেখার (৩৫), সীতাকুণ্ড মুরাদপুর ইউনিয়নের হাসনাবাদ জিয়াজি হুজরের বাড়ির মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম জাবেদ (২৫)ও বাড়বকুণ্ড মধ্যম মাহমুদাবাদ দীঘির নামা এলাকার মৃত জহির ইসলামের ছেলে নুর আহাম্মদ
প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)মোঃ জুনায়েত কাউছার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস্‌) মোঃ সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) রাসেল পিপিএম (বার) ও সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মোঃ মহিনুল ইসলাম প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026