
কামরুল01883088084
চট্টগ্রামের আকমল আলী ঘাটে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাগরের তীরবর্তী এলাকা থেকে জীবিকার তাগিদে সামান্য মাছ ধরে বিক্রি করতে গিয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির শিকার হয়েছেন একদল দরিদ্র জেলে।
সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জেলেদের কাছ থেকে মাছ ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে তারেক হোসেন মুন্না, সাইদুর রহমান সুমন, দিলিপ, আব্দুল হালিম নিরবসহ আরও অনেক হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরবর্তীতে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উল্টো ‘সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ’-এর চেয়ারম্যান এস এম মিজান উল্লাহসহ নির্দোষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
জানা যায়, ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলায় আকমল আলী ঘাটের কতিপয় দরিদ্র জেলে সাগরের কিনারা থেকে ধরা সামান্য কিছু চিংড়ি মাছ বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মূল সড়কের ওপর এক যুবক নিজেকে ‘সাংবাদিক’ পরিচয় দিয়ে জেলেদের ভয়ভীতি দেখায় এবং হাত থেকে মাছ কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় জেলেদের সতর্কতায় ঘটনাস্থলেই আটক হয় কথিত সেই সাংবাদিক। পরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে আটক যুবক নিজের নাম নিরব হাওলাদার (আব্দুল হালিম নিরব) বলে স্বীকার করে।
ভুক্তভোগী জেলেরা জানান, “আমরা খুব গরিব মানুষ, দিন এনে দিন খাই। সাগরের কিনারা থেকে দুই-চারটা চিংড়ি মাছ ধইরা বাজারে বেইচ্চা খাওয়ার লাইগ্যা লইয়া যাইতাছিলাম। এই পোলা আইসা আমাগো সাংবাদিকের ভয় দেহাইয়া হাত থাইকা মাছ কাইড়া লইয়া দৌড় মারছিল। আমরা হেরেই ধইরা ফালাইছি।”
ঘটনার সময় সংবাদ সংগ্রহে সেখানে উপস্থিত হন ‘সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ’-এর চেয়ারম্যান ও ‘দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন’-এর সম্পাদক এস এম মিজান উল্লাহ। তিনি উপস্থিত থেকে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন এবং উভয়পক্ষকে শান্ত করেন। তবে পরবর্তীতে ১৪ অক্টোবর ঘটনাকে ভিন্ন খাতে মোড় দিতে নিরব হাওলাদারের সঙ্গী তারেক মুন্না ইপিজেড থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে, যেখানে এস এম মিজান উল্লাহ ও রহমান মাজির বিরুদ্ধে হামলার চেষ্টার মনগড়া দাবি করা হয়।
সাংবাদিকদের প্রতিবাদ ও সংবাদ সম্মেলন: এই সাজানো অভিযোগের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ এক প্রতিবাদ ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। ব্যানারে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মিজান উল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ এবং অভিযোগ করায় চাঁদাবাজ ও প্রতারক তারেক মুন্না এবং আব্দুল হালিম নিরবের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার ও তাদের অবিলম্বে গ্রেফাতারের দাবি জানানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে এস এম মিজান উল্লাহ বলেন, “আমি নিজেই সংবাদ সংগ্রহ করার সময় আকমল আলী ঘাটে জেলেরা মাছ চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুই যুবককে ধরে রাখে। তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিলে আমি নিজে বিষয়টি মীমাংসা করে তাদেরকে নিরাপদে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, তারা পরবর্তীতে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আমি সিএমপি পুলিশ কমিশনার মহোদয় এবং ইপিজেড থানার ওসির কাছে এই সাজানো অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি।”
সাধারণ জেলে, স্থানীয় জনতা ও পেশাদার সাংবাদিকরা জানান, ভুয়া সাংবাদিক ও চাঁদাবাজদের অপতৎপরতায় প্রকৃত সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। উক্ত চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আকমল আলী ঘাটে জেলেদের মাছ ছিনতাইয়ের চেষ্টা: কথিত সাংবাদিক আটক, পরবর্তীতে থানায় সাজানো অভিযোগ ও সাংবাদিকদের সংবাদ সম্মে
চট্টগ্রামের আকমল আলী ঘাটে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাগরের তীরবর্তী এলাকা থেকে জীবিকার তাগিদে সামান্য মাছ ধরে বিক্রি করতে গিয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির শিকার হয়েছেন একদল দরিদ্র জেলে।
সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জেলেদের কাছ থেকে মাছ ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে তারেক হোসেন মুন্না, সাইদুর রহমান সুমন, দিলিপ, আব্দুল হালিম নিরবসহ আরও অনেক হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরবর্তীতে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উল্টো ‘সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ’-এর চেয়ারম্যান এস এম মিজান উল্লাহসহ নির্দোষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
জানা যায়, ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলায় আকমল আলী ঘাটের কতিপয় দরিদ্র জেলে সাগরের কিনারা থেকে ধরা সামান্য কিছু চিংড়ি মাছ বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মূল সড়কের ওপর এক যুবক নিজেকে ‘সাংবাদিক’ পরিচয় দিয়ে জেলেদের ভয়ভীতি দেখায় এবং হাত থেকে মাছ কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় জেলেদের সতর্কতায় ঘটনাস্থলেই আটক হয় কথিত সেই সাংবাদিক। পরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে আটক যুবক নিজের নাম নিরব হাওলাদার (আব্দুল হালিম নিরব) বলে স্বীকার করে।
ভুক্তভোগী জেলেরা জানান, “আমরা খুব গরিব মানুষ, দিন এনে দিন খাই। সাগরের কিনারা থেকে দুই-চারটা চিংড়ি মাছ ধইরা বাজারে বেইচ্চা খাওয়ার লাইগ্যা লইয়া যাইতাছিলাম। এই পোলা আইসা আমাগো সাংবাদিকের ভয় দেহাইয়া হাত থাইকা মাছ কাইড়া লইয়া দৌড় মারছিল। আমরা হেরেই ধইরা ফালাইছি।”
ঘটনার সময় সংবাদ সংগ্রহে সেখানে উপস্থিত হন ‘সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ’-এর চেয়ারম্যান ও ‘দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন’-এর সম্পাদক এস এম মিজান উল্লাহ। তিনি উপস্থিত থেকে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন এবং উভয়পক্ষকে শান্ত করেন। তবে পরবর্তীতে ১৪ অক্টোবর ঘটনাকে ভিন্ন খাতে মোড় দিতে নিরব হাওলাদারের সঙ্গী তারেক মুন্না ইপিজেড থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে, যেখানে এস এম মিজান উল্লাহ ও রহমান মাজির বিরুদ্ধে হামলার চেষ্টার মনগড়া দাবি করা হয়।
সাংবাদিকদের প্রতিবাদ ও সংবাদ সম্মেলন: এই সাজানো অভিযোগের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ এক প্রতিবাদ ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। ব্যানারে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মিজান উল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ এবং অভিযোগ করায় চাঁদাবাজ ও প্রতারক তারেক মুন্না এবং আব্দুল হালিম নিরবের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার ও তাদের অবিলম্বে গ্রেফাতারের দাবি জানানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে এস এম মিজান উল্লাহ বলেন, “আমি নিজেই সংবাদ সংগ্রহ করার সময় আকমল আলী ঘাটে জেলেরা মাছ চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুই যুবককে ধরে রাখে। তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিলে আমি নিজে বিষয়টি মীমাংসা করে তাদেরকে নিরাপদে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, তারা পরবর্তীতে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আমি সিএমপি পুলিশ কমিশনার মহোদয় এবং ইপিজেড থানার ওসির কাছে এই সাজানো অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি।”
সাধারণ জেলে, স্থানীয় জনতা ও পেশাদার সাংবাদিকরা জানান, ভুয়া সাংবাদিক ও চাঁদাবাজদের অপতৎপরতায় প্রকৃত সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। উক্ত চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।